মুহতামিম ও পরিচালক
০১৭১৫০০৩১৭৫
jamayaislamia@gmail.com
দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিবেদিত করার মহান ইচ্ছা থেকেই জামেয়া ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গলের যাত্রা শুরু। প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ نَحْمَدُهٗ وَنُصَلِّیْ عَلٰی رَسُوْلِهِ الْکَرِیْمِ
মহান রাব্বুল আলামিন বিশ্বমানবতাকে হিদায়াতের পথে পরিচালিত করার লক্ষ্যে যুগে যুগে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছেন। তাঁরা নিজ নিজ জাতিকে হক্বের পতাকার নিচে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানাতেন।
যারা তাঁদের অমীয় বাণী শ্রবণ করে সত্যকে গ্রহণ করেছিল, তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত ও জান্নাতের উত্তরাধিকারী হয়েছে। আর যারা তাদের আহ্বান উপেক্ষা করে তাগুতের পথ অনুসরণ করেছিল, তারা হয়েছে গোমরাহ, পথভ্রষ্ট ও চিরজাহান্নামী।
এই নবুওয়তের ধারাবাহিকতার পরিসমাপ্তি ঘটে মানবজাতির শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, সর্বশেষ নবী ও রাসূল, আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাধ্যমে। তিনি বিশ্বমানবতার হিদায়াত ও আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য চারটি মৌলিক কর্মসূচি নিয়ে আবির্ভূত হন—
১️. আল-কুরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত শিক্ষা দেওয়া।
২️. কুরআনুল কারীমের মর্মার্থ ও তাফসির শিক্ষা দেওয়া।
৩️. হিকমাহ তথা সুন্নাহর জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া।
৪️. তাযকিয়া, অর্থাৎ বাহ্যিক ও আত্মিক অপবিত্রতা থেকে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ইন্তেকালের পর এই মহান দায়িত্ব অর্পিত হয় তাঁর উত্তরাধিকারী— উলামায়ে কেরাম, অর্থাৎ ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া-এর ওপর।
এই মহান দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার ও রাব্বুল আলামিন কর্তৃক নির্ধারিত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দেশের খ্যাতনামা উলামায়ে কেরাম, সচেতন দ্বীনদরদী ও ইসলামপ্রেমী বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শে আল্লামা শায়খ লুৎফুর রহমান বর্ণভী রহ.-এর স্মৃতিবিজড়িত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে প্রতিষ্ঠিত হয়—
📖 জামেয়া ইসলামিয়া বালক-বালিকা মাদরাসা, সিন্দুরখান রোড, শ্রীমঙ্গল।
প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ / ১৪১৮ হিজরি, ২ রমযান।
মাআসসালাম
মুহাম্মদ আব্দুশ শাকুর